
বাথরুমে স্মার্ট ইনফ্রারেড হিটার ব্যবহার করা যায় (ফিউজ নষ্ট না হওয়া অবস্থায়) যদি আপনি কখনও গরম শাওয়ার থেকে বেরিয়ে ঠান্ডা বাথরুমে ঢুকে থাকেন, তাহলে আপনি ভালোভাবেই বুঝতে পারবেন কেন IPX4 রেটেড ইনফ্রারেড হিটারগুলো ব্যবহৃত হয়। এগুলো পানির ছিটে ও বাষ্প সহ্য করতে পারে; যা রান্নাঘর ও বাথরুমের জন্য অপরিহার্য। কিন্তু আসল জাদুটা ঘটে যখন এগুলোকে “স্মার্ট” করা হয়। এখানে কঠিন ব্যাপারটি হলো হিটারের উচ্চ-ভোল্টেজ বিভাগকে স্মার্ট হোমের নিম্ন-ভোল্টেজ বিভাগের সাথে সঠিকভাবে সংযুক্ত করা। সিস্টেমটি কীভাবে কাজ করে? পুরানো হিটারগুলো শুধুমাত্র বাতাসকে উত্তপ্ত করে; কিন্তু ইনফ্রারেড হিটারগুলো তাপকে সরাসরি আপনার দেহে পাঠায়। এটা যেন সূর্যের নিচে দাঁড়িয়ে থাকার মতো। এগুলোকে স্মার্ট গ্রিডের সাথে সংযুক্ত করতে আমরা হেভি-ডিউটি রিলে বা ট্রাইঅ্যাক ডিমার ব্যবহার করি। IPX4 রেটেড কেসটি এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ; এটা পানি ঢুকতে বাধা দেয়। যদি এই সিলগুলো ঠিকমতো না থাকে, তাহলে সামান্য পানির ছিটেই সমস্ত সার্কিট নষ্ট হয়ে যেতে পারে। “ওয়ান-ক্লিক” ব্যবস্থা লক্ষ্যটা খুবই সরল: আপনি একটি অ্যাপ ব্যবহার করে অথবা ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্টকে বললেই ঘরটি উত্তপ্ত হয়ে যায়। এই কমান্ডটি জিগবি বা ওয়াই-ফাই মডিউলে পৌঁছায়; ফলে সুইচটি চালু হয়। সবচেয়ে ভালো ব্যাপার হলো অপেক্ষা করার দরকার নেই। আপনাকে ২০ মিনিট ধরে অপেক্ষা করতে হয় না; এটা তৎক্ষণাৎ হয়। সমস্যা ও সমাধান এখানে একটি সমস্যা রয়েছে—এই হিটারগুলো অনেক বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে যে আপনার বাড়ির ওয়্যারিং ও স্মার্ট রিলেটি এই চাপ সামলাতে পারে। যদি রিলেটি দুর্বল হয়, তাহলে এটা অতিরিক্ত তাপ উৎপন্ন করে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এটা ঝুঁকিপূর্ণ। আমার পরামর্শ হলো: হিটারটিকে DHT22-এর মতো একটি সাধারণ তাপমাত্রা সেন্সরের সাথে সংযুক্ত করুন। এভাবে হিটারটি জানতে পারবে যখন ঘরটি যথেষ্ট উত্তপ্ত হয়ে গেছে, এবং নিজেই বন্ধ হয়ে যাবে। এতে ঘরটি অতিরিক্ত উত্তপ্ত না হয়, আর আপনার বিদ্যুৎ বিলও কম হবে।